এটি প্রথম স্তর যেখানে শিক্ষার্থীদের আরবি বর্ণমালার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে নির্ভুলভাবে কুরআন তেলাওয়াতের যোগ্য করে গড়ে তোলা হয়। বিশেষতঃ হরফের মাখরাজসমূহের বিশুদ্ধ উচ্চারণ, বেসিক থেকে এডভান্স স্তর পর্যন্ত তাজবিদের জ্ঞান ও পবিত্র কুরআন দেখে পড়ার দীর্ঘ অনুশীলন করিয়ে আল-কুরআনুল কারিমের বিশুদ্ধ পাঠ নিশ্চিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে আল-কুরআনের শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণকে সহজতর করার লক্ষ্যে অডিও-ভিডিও ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় করা ইনস্টিটিউটের ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য।
দ্বিতীয় এই স্তরটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সনদসহ ইজাযাহপ্রাপ্ত ও বিশেষজ্ঞ কারিগণের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। হিফজ সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীর সনদ ও ইজাযাহ লাভের বিষয়টি আমলে নিয়ে পাঠদানের ক্ষেত্রে আধুনিক ও বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে।
তৃতীয় এই স্তরে ইমাম হাফসের সূত্রে ইমাম আসিমের কিরাআতের ইজাযাহ লাভের পূর্বশর্ত হচ্ছে, সুরাতুল ফাতিহা থেকে সুরাতুন নাস পর্যন্ত পরিপূর্ণ কুরআন মাজিদ সর্বোচ্চ মজবুত ও দৃঢ়তার সাথে আত্মস্থ ও হৃদয়ঙ্গম করা। আর সে জন্যই আল-কুরআন ইনিস্টিটিউটে আহকামুত তাজভিদের ওপর বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ হাফিজ ও কারিগণের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে, যাতে একজন শিক্ষার্থী পোক্তভাবে হিফজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি তাজভিদের নিয়মকানুন শিখে ইজাযাহ লাভের যোগ্যতা অর্জন করতে পারে।